সর্বশেষ

গ্যাস সংকট

ঢাকাতেও লোডশেডিং মেনে নিতে হবে: জাহেদ উর রহমান

ঢাকাকে পুরোপুরি লোডশেডিংমুক্ত রাখার নীতি থেকে সরকার সরে আসছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচারবিষয়ক উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান। তিনি বলেছেন, দেশের অন্যান্য এলাকার মতো রাজধানীতেও কিছুটা লোডশেডিং মেনে নিতে হবে। তবে অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড বেশি থাকায় বিদ্যুৎ সরবরাহের ক্ষেত্রে ঢাকা কিছুটা অগ্রাধিকার পেতে পারে।

বিজ্ঞাপন

৩০০ x ২৫০

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন
৩২০ x ৫০
বিজ্ঞাপন
গ্যাস সংকটে বন্ধ ৩০০ পোশাক কারখানা, রপ্তানি ধসের শঙ্কায় বিকেএমইএর ৬ দাবি

দেশে চলমান তীব্র গ্যাস সংকটের কারণে এরই মধ্যে প্রায় ৩০০ নিটওয়্যার ও তৈরি পোশাক কারখানা বন্ধ হয়ে গেছে। এতে রপ্তানি বাণিজ্য প্রায় ৪০ থেকে ৫০ শতাংশ ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার পাশাপাশি বিদেশি ক্রেতারা অর্ডার সরিয়ে নিচ্ছেন প্রতিবেশী দেশগুলোতে। উদ্ভূত পরিস্থিতি মোকাবিলায় সরকারকে জরুরি পদক্ষেপ নেওয়াসহ ৬ দফা দাবি জানিয়েছে তৈরি পোশাক খাতের শীর্ষ সংগঠন বিকেএমইএ।

বিদ্যুৎ-গ্যাস সংকট কাটাতে কমপক্ষে দুই বছর লাগবে: অর্থমন্ত্রী

বিদ্যুৎ ও গ্যাসের চলমান সংকট ছয় মাস বা এক বছরের মধ্যে পুরোপুরি সমাধান করা সম্ভব নয় বলে জানিয়েছেন অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী। তিনি বলেছেন, এ সংকট কাটাতে সর্বনিম্ন দুই বছর সময় প্রয়োজন। তবে দ্রুততম সময়ে পরিস্থিতির উন্নতিতে সরকার কাজ করছে।

৪ দিন পর গ্যাস সরবরাহ হওয়ায় সচল হবিগঞ্জের শিল্পাঞ্চল

চার দিন বন্ধ থাকার পর হবিগঞ্জের শিল্পাঞ্চলে আবার গ্যাস সরবরাহ শুরু হয়েছে। শনিবার সকাল থেকে গ্যাস সরবরাহ কিছুটা স্বাভাবিক হওয়ায় একে একে চালু হচ্ছে কারখানা। কর্মস্থলে ফিরেছেন শ্রমিকেরা। এতে শিল্পাঞ্চলে আবারও কর্মচাঞ্চল্য দেখা দিয়েছে।

গ্যাসের দাবিতে চট্টগ্রামে সিএনজি চালকদের সড়ক অবরোধ

গ্যাসের জন্য ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করেও ফিলিং স্টেশন থেকে সরবরাহ না পাওয়ার অভিযোগে চট্টগ্রাম নগরের ষোলশহর এলাকায় সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করেছেন সিএনজিচালিত অটোরিকশার চালকেরা। শুক্রবার ভোরে কয়েকশ চালক সড়কে অবস্থান নেওয়ায় মুরাদপুর থেকে দুই নম্বর গেট পর্যন্ত যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। এতে ওই এলাকায় তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়।

গ্যাস সংকটে ভারী শিল্পে উৎপাদন বন্ধ, চাপে পোশাক ও ভোগ্যপণ্য খাত

দেশে টানা প্রায় তিন সপ্তাহ ধরে তীব্র গ্যাস সংকটে শিল্প উৎপাদন মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে। গ্যাস ও এলএনজি সরবরাহ কমে যাওয়ায় স্টিল, সিমেন্ট, কাচ, সিরামিক ও বস্ত্রসহ গ্যাসনির্ভর শিল্পের অনেক কারখানায় উৎপাদন বন্ধ রয়েছে। বড় শিল্পগোষ্ঠীগুলোর কয়েকটি কারখানা পুরোপুরি বন্ধ হয়ে গেছে, আবার অনেক কারখানা চলছে সীমিত সক্ষমতায়। এতে রপ্তানি আয়, স্থানীয় বাজারে পণ্য সরবরাহ ও শিল্পপ্রতিষ্ঠানের আর্থিক সক্ষমতা নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে।